Home
Photo of Cottage Marma Reesa from nilgiriresort.com which charges Tk. 5000 per night.

Photo of Cottage Marma Reesa from nilgiriresort.com which charges guests Tk. 5000 per night.

Reng Young Mro Nangchen

The news was published: the marginalized indigenous communities were leaving their lands. It is difficult to comprehend how different people reacted to this news. However, there should not have been a dearth of people who would be elated at this, those who would not have leapt up in joy. If we described what we saw during our visit to Alikodom in the second week of March it might seem quite incredible. And to a certain class of people this might add a new dimension to their sense of joy. According to our sources there were more than 500 villages around Poamuri. There is doubt whether there are even 40 of them left now. Some villages on the upper and lower side of Dongri Para have slowly started to empty. Most of the people in these areas have migrated. A lot of them fled in the middle of the night leaving their kupis alight at their homes. They left behind their land, their courtyard, the trees they had planted so carefully, their familiar territory, and most of their personal belongings. It cannot be a happy occasion which makes people leave everything behind and migrate. Those who haven’t fled are also on the verge of leaving. There is nothing in the news of why this migration is taking place, this was quite predictable. Knowingly, or unknowingly, no one likes to make a hue and cry about this.

I luckily ran across three families who had returned from Myanmar. My heart cried out when I saw their pathetic faces with their hidden tears. The people who leave their motherland are very miserable. They retold the stories of the indescribable hardship in which they lived. But there is no happiness here either! The terror of development pursues them relentlessly. They have seen that development brings in roads, and to build those roads stones are collected from ponds used by them, and then the women are raped by stone workers. Whenever there is development, mountains and trees are brought down, camps are set up and people are displaced as a sacrifice for the sake of tourism.

Pamia Para, Adu Para, Diri Para and the villages within 13 kilometers of this area have seen how trucks have driven over the ponds and muddied the drinking waters. They are watching how stone workers are attacking the women. Yet there is not an ounce of justice. The stones were collected from the courtyards of the homes in Rumbet Para. The people in the area woke up every morning and watched outsider workers in their courtyards collecting stones and giving dirty looks to their women. And the result of this was also quite predictable; an attempted rape by a stone worker. A training center was supposed to have been set up near Deem Mountain on a large area of land. When we see and hear about these our hairs stand on end, we become terrified by the thoughts of eviction. We are reminded of the painful days in Sualok, Tonkaboti. The people of the villages of Deba Para, Kramadi Para, Ramri Para, Shakkhoi Para, Klangtung, Kwang Naichcha Kuya are still carrying the cursed wounds of eviction. They had left their homes crying that day, and they spent night after night homeless in the severe cold. And now? After acquisition their homes have been leased out by companies. They now work as day-laborers there! We are even more terrified upon hearing the news that a tourist resort will be set up in Sungnam Hung (Chandra Mountain). It has been said that we will be benefitted if the tourist spot is set up. Jobs will be created and we will become economically independent. We have already been tormented enough by one Nilgiri. The entire Kapru Para had to be evicted to set up the Nilgiri Resort. They have been resettled but even in the new place they are not secure. It has been said that they may be evicted yet again. The same thing was said before setting up Nilgiri – employment creation, independence, economic solvency etc. None of that ever materialized, and it never will. In fact the exact opposite of that took place. Grabbing our lands in the name of tourism has made us even more crippled. The city boys come for their outings in their colored glasses and start jumping up and down in excitement when they see us as if they have seen some neanderthals. There is no reason to doubt that the preparation around Sunam Hung will only bring about more terror for us. More evictions, more deprivation, more rapes… more more.

This is the result of the news.

In other words we are feeling very threatened. We already have our backs against the walls. Where we will next end up only time can tell.

Translation: Hana Shams Ahmed

Original post in Bangla on Facebook:

উন্নয়ন ও আমাদের নীরব প্রস্থানঃ

খবরটা বেরিয়েছিল ; প্রান্তিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীরা দেশান্তরিত হচ্ছেন। খবরের পর কার কিরকম প্রতিক্রিয়া ছিল বুঝা মুশকিল। তবে এই খবরে খুশি হয়ে উঠেছেন, আনন্দিত কিংবা উল্লসিত হয়ে ওঠেছেন এমন শ্রেণীর লোকেরও অভাব হওয়ার কথা না। মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহের দিকে আমরা আলিকদম ঘুরে যা দেখে এসেছি তার বণর্না দিলে অনেকেরই অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। এবং শ্রেনীবিশেষ লোকেদের আনন্দে বাড়তি মাত্রা যোগ করতে পারে। পোয়ামুরির আশপাশে ৫০০ টিরও বেশি গ্রাম ছিল বলে জানা যায়। তার ৪০ টিও এখন আছে কিনা সন্দেহ! দংরি পাড়ার ওপরে নিচে বেশ কয়েকটা গ্রাম ধীরে ধীরে খালি হতে শুরু করেছে। তাঁদের প্রায়ই দেশান্তরিত হয়েছেন! অনেকেই রাতে পালিয়েছেন, বাড়িতে কুপি জ্বালিয়ে রেখে। ভিটে মাটি, ওঠোন, যত্নে লাগানো গাছ, পরিচিত পরিবেশ, সহায় সম্বলের অধিকাংশই ফেলে রেখে। সবকিছু ফেলে দেশান্তরিত হওয়াটা নিশ্চয়ই খুব শখের ব্যাপার না। যারা পালান নাই, তারাও যাই যাই ভাব করছেন। কেন তারা দেশান্তরিত হচ্ছেন তার কিছুই খবরে চোখে পড়ে নি, সেটাই প্রত্যাশিত ছিল। জেনে হোক না জেনে হোক সেটা নিয়ে খুব বেশি উচ্চবাচ্চ্য করতে কেউই পছন্দ করেন না।

মায়ানমার থেকে ফেরত আসা তিনটা পরিবারের সাথে আমাদের ভাগ্যক্রমে দেখা হয়েছিল! তাদের চাপা কান্নার যে করুণ মুখ দেখেছিলাম তাতে অন্তরটা কেঁদে ওঠেছিল। মাতৃভূমি ছেড়ে যাওয়া মানুষগুলো বড় দুঃখী হয়। তারা সেখানে কীরকম অবর্নণীয় কষ্টে ছিল সে গল্প শুনাল তারা। কিন্তু এখানে থেকেওতো সুখ নেই! উন্নয়নের আতঙ্ক তাদের তাড়া করে বেড়ায়। তাঁরা দেখেছে উন্নয়ন হলেই রাস্তা হয়, সেই রাস্তার জন্য তাদের ব্যবহারের ছড়া থেকে পাথর তোলা হয়, পাথর শ্রমিকদের দ্বারা নারীরা ধর্ষিত হয়। উন্নয়ন হলেই পাহাড়ের পর পাহাড় বন, বৃক্ষ কেটে ন্যাড়া করা হয়। বসানো হয় ক্যাম্প, পর্যটন আর বলি হিসেবে তাদের হতে হয় উচ্ছেদ!
পামিয়া পাড়া, আদু পাড়া, দিরি পাড়া কিংবা ১৩ কিলোর আশেপাশের গ্রামগুলো দেখেছে উন্নয়ন কিভাবে তাদের ছড়ার উপর ট্রাক চালিয়ে তাদের খাবার পানি ঘোলা করেছে। তারা দেখেছে কিভাবে পাথর শ্রমিক নারীর উপর হামলে পড়েছে! অথচ বিচারের নামগন্ধও নেই। রুমবেত পাড়ার বাড়ির আঙিনাগুলো থেকেই পাথর তোলা হয়েছিল। পাড়ার মানুষগুলো প্রত্যেক সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখেছে তাদের আঙিনায় বহিরাগত শ্রমিকরা পাথর তুলছে আর তাদের মেয়েগুলোর দিকে কেমন নোংরা দৃষ্টিতে তাকাচ্ছে। এবং তার ফলও যেন প্রত্যাশিতই ছিল; এক পাথর শ্রমিক দ্বারা ধর্ষনচেষ্টার শিকার। ডিম পাহাড়ের কাছেই বিশাল পরিমাণ জায়গা নিয়ে প্রশিক্ষণ এলাকা হওয়ার কথা। এসব দেখে, শুনে আমরা শিউরে উঠি, উচ্ছেদ আতঙ্কে আতঙ্কিত হই। সুয়ালক, টংকাবতীর যন্ত্রণাময় দিনগুলোর কথা আমাদের মনে করিয়ে দেয়। ডেবা পাড়া, ক্রামাদি পাড়া, রামরী পাড়া, সাক্ষয় পাড়া, ক্লাংতুং, কোয়াং নাইচ্য কুয়া গ্রামের লোকেরা এখনো উচ্ছেদের অভিশপ্ত ক্ষত বয়ে চলেছে। কাঁদতে কাঁদতে তারা সেদিন ভিটে ছেড়েছিল, প্রচন্ড শীতে তারা গৃহহীন অবস্থায় রাতের পর রাত কাটিয়েছে। আর এখন ? নিজেদের জায়গা জমি একোয়ার হয়ে যাবার পর কোম্পানি সেটার লীজ নিয়েছে। তারা এখন ওইখানে মজুরি খাটে! সুংনাম হুং (চন্দ্র পাহাড়!!) –এ অবকাশযাপন কেন্দ্র নির্মান করার কথা শুনে আমরা আরো বেশি আতঙ্কগ্রস্ত হই। বলা হয়েছে পর্যটনটা হলে আমাদেরই সুবিধা হবে। কর্মসংস্থান বাড়বে, অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হব ইত্যাদি। এক নীলগিরির দুঃখই আমাদের যথেষ্ট যন্ত্রণা দিয়েছে। নীলগিরি হওয়ায় কাপ্রু পাড়াকে উচ্ছেদ হতে হয়েছিল, এখন তারা যেখানে স্থানান্তরিত হয়েছে সেখানেও তারা নিরাপদ নয়। বলা হয়েছে সেখান থেকেও তাদের উচ্ছেদ করা হতে পারে! একই কথাই বলা হয়েছিল নীলগিরি হওয়ার আগে। কর্মসংস্থান, স্বাবলম্বী, অর্থনৈতিক সচ্ছলতার কথা। তার কিছুই হই নি, হবেও না। বরং তার উল্টোটাই হয়েছে। পর্যটনের কথা বলে আমাদের জমি কেড়ে নিয়ে আরো বেশি পঙ্গুই করা হয়েছে আমাদের। লাল নীল চশমা পরে শহুরে বাবুরা বেড়াতে আসেন, আমাদের দেখলে হই হই করে ওঠেন যেন বনমানুষ দেখছেন। সুংনাম হুং কে ঘিরে যে আয়োজন সেটা আমাদের জন্য যে আরো ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠবে তাতে সন্দেহ করার কোন কারণ নেই। আরো উচ্ছেদ, আরো বঞ্চনা, আরো ধর্ষণ… আরো আরো।
এইসব কিছুর ফল ওই খবর।
মোট কথা আমরা বিপন্নবোধ করছি। দেয়ালে পিঠ অনেক আগেই ঠেকে গেছে। এরপর যে আমরা কোথায় গিয়ে ঠেকব সেটা সময় ছাড়া কেউই জানি না হয়ত ।

Advertisements

One thought on “Development and Our Silent Departure

  1. Pingback: Development and Our Silent Departure | reetusattar.wordpress.com

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s